মিশন ভিশন
বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য-
বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ স্বেচ্ছাসেবী সমাজ সেবামূলক সংস্থা। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত এ অরাজনৈতিক সংস্থাটি সমাজের সকল শ্রেণীর পেশাজীবি মানুষের জন্য সামাজিক সংগঠন হিসেবে কাজ করে। সমাজে অবহেলিত, অসচেতন, বিপথগামী এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণমুখী সংস্থা হিসেবে কাজ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা এ সংগঠনের মূখ্য উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পরিচালিত হয়:
১. সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা-
– ২১শে গ্রন্থমেলায় লেখকদের একক ও যৌথ বই প্রকাশ। বাংলা সাহিত্যের নতুনমাত্রা যোগ করতে
কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সাহিত্য চর্চায় ভূমিকা রাখছে।
– সামাজিক অবদান ও লেখার উপর ভিত্তি করে প্রতিবছর সেরা তরুণ লেখক পুরস্কার প্রদান।
– বিভিন্ন অঞ্চলের বই মেলায় লেখক পরিষদের প্রকাশনার অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
– সামাজিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে বইমেলার আয়োজন।
– স্ব-রচিত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ৫ জনকে সেরা প্রতিযোগি হিসেবে ঘোষণা দেয়া ও পুরস্কার প্রদান।
– জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় লেখক পরিষদের সর্বস্তরের সদস্যদের অংশগ্রহণ।
– সমসাময়িক বিষয়বস্তুর উপর আদর্শ বজায় রেখে কলমযুদ্ধ করা।
– কর্মবিমুখ মানুষকে কর্মের প্রতি মনোযোগ সৃষ্টি করা এবং কর্মের সুযোগ সৃষ্টিতে চেষ্টা করা।
– চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, মুমূর্ষু রোগীর রক্তের ব্যবস্থা
– আইনী সহায়তা: যৌতুক বিরোধী আন্দোলনে সহযোগিতা করা, হতদরিদ্র পরিবারকে পরামর্শদান ও আইনী সহযোগিতা করা।
– মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
– বিভিন্ন বিষয়ে অবদান রাখা মনিষীদের জীবনী থেকে শিক্ষা নিতে আলোচনা সভার আয়োজন করা ও ব্যক্তিদের
বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা।
– বিভিন্ন ধরনের সরকারী কর্মসূচি যেমন– পোলিও টিকা, জরিপ, আদমশুমারী, ভোটার লিস্ট তৈরী ইত্যাদিতে সহযোগিতা করা।
– লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, অভিনেতা ও সংস্কৃতিমনা সকলের ঐক্যবদ্ধের ভিত্তিতে লেখক পরিষদ তার ব্যক্তিক
পরিচিতি ও কর্মকাণ্ডকে উর্ধে তুলে ধরা।
২. প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে ভূমিকা-
– শিক্ষার্থীদের ভাল কাজে উৎসাহ, লেখালেখির প্রতি বিশেষভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
– শিক্ষার্থীদের প্রতিভাকে বিকশিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেয়াল পত্রিকার ব্যবস্থা করা।
– প্রকাশযোগ্য ও মানসম্মত লেখা বই আকারে প্রকাশের মাধ্যমে লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রচেষ্টা।
– সাংগঠনিকভাবে পরিষদকে মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে সমাজ সেবক কিংবা লেখক হিসেবে মানুষের সামনে তুলে ধরা।
– সমাজ সেবক হিসেবে এগিয়ে আসতে শিক্ষার্থীদের উদ্যমকে কাজে লাগানো।
– বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগে কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায় সে বিষয়ে তাদেরকে উৎসাহ দান।
– সামাজিক কাজে অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা।
– সৃজনশীলতার ছাপ দ্বারা শিক্ষার্থীদের ঐক্যতা সৃষ্টি করা।
– অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে দূরত্বের বৈষম্যের অবসানে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
– সুপারিশের মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তিমূলক কিংবা অর্ধ/বিনাবেতনে পড়ানোর ব্যাবস্থা করা
– পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে একাডেমিক পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে সৃজনশীল জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করা
– স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা ক্যাম্পেইন।
– মনিষীদের জীবনী সম্পর্কে, দেশের সংস্কৃতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আলোচনা সভার মাধ্যমে জ্ঞান বৃদ্ধি করা।
– শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নমুখী বিভিন্ন বিতর্কের আয়োজন।
