আমাদের সম্পর্কে

সফলতায় আমরা

সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের ভূমিকা অপরিসীম। এছাড়াও তরুণ লেখকদের প্রতিভা বিকাশের মাধ্যম হিসেবে পরিষদ হচ্ছে অবারিত দ্বার। ২০১১ সালের একুশে গ্রন্থমেলায় ৪জন সদস্যদের উপন্যাসের প্রকাশ ছিল তরুণলেখক পরিষদের আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন। ’১২ও ’১৩ সালে লেখক পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন কলেজ ভিত্তিক ম্যাগাজিনের মাধ্যমে লেখালেখির ধারাবাহিকতা ব্যাপকতা লাভ করে। পরিষদের উদ্যোগে প্রকাশিত হয় ‘নতুনসূর্যোদয়’ নামে পত্রিকা। যার দায়িত্বে থাকেন তৎকালীন মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সবিতারানী সরকার। দেশে তরুণ লেখক পরিষদের সাহিত্যের চর্চা ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকে। এক্ষেত্রে ’১২-’১৩ সালের একুশে গ্রন্থমেলায় ৫–৭ জন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি ৩ বছর পরবর্তী কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। ফলে ২০১৩ সালের শেষের দিক ছিল দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের সময়। পরিষদের নির্বাচনের ইসতেহার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হলো কাউন্সিল অধিবেশনের ডাক। উপদেষ্টা পরিষদের সঠিক তত্ত্ববধানে সুষ্ঠুভাবে দ্বিতীয় বারের মতো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পরিবর্তন করা হয়। এসময় আশিকুল কায়েস’কে পুনরায় সভাপতি ও টিএন্ডটি স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র মিঠু মণ্ডলকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ২০১৪ সালে নতুন নেতৃবৃন্দদের নিয়ে লেখকদের উন্নয়নমুখী কার্যক্রমে যুক্ত হয় নতুনধারা। একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪সালে ‘কাব্যরস’ এবং একক বই প্রকাশের মাধ্যমে তরুণ লেখক পরিষদের সদস্যদের লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে ২৬ জনের মতো। ২০১৫ সালে একুশে গ্রন্থমেলায় একক ও যৌথবইয়ের মাধ্যমে ৩০জন ও ২০১৬ সালে ৩২জন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের উত্তরোত্তর সাফল্য লেখকদের উন্মোচিত দ্বার হিসেবে কাজ করতে থাকে। পরিষদের প্রতি আত্মবিশ্বাস, সরলতা আর লেখনির ভাষা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ‘বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ’ বিভিন্ন জেলার মানুষের মাঝে জায়গা করে নেয় অতি সহজে। ঐ সময় ৭০টি কলেজে তরুণ লেখক পরিষদের শাখা বিস্তার করে। ফলে সৃজনশীল কার্যক্রমের সংগঠন হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। ২০১৫ ও ২০১৬ সাল ছিল বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে জায়গা করে নেওয়ার বছর। এ সময়ে তরুণ লেখক পরিষদ তাদের নিজস্ব অবস্থান সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যপকভাবে জায়গা করে নেয় এবং পত্রিকার শিরোনামে তরুণ লেখক পরিষদের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে দেশে ও বিদেশে। ২০১৫ সালের লেখকদের এই উন্মোচন দ্বারে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন দেশের বুদ্ধিজীবি, বাংলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক ও একুশে পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ও উদীচি শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি সাংবাদিক ড. কামাল লোহানী। ২০১৬ সালে একুশের গ্রন্থমেলায় তরুণ লেখকদের ব্যাপক আয়োজনের মধ্যে উন্মোচন দ্বারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জননেতা রাশেদ খান মেনন এমপি। ২০১৭ সালের একুশে গ্রন্থমেলায় পরিষদেরপ্রকাশিতযৌথগ্রন্থ “কাব্যগাঁথা” “গল্পেকথা” ও সদস্যদের একক বইয়ের মাধ্যমে ৩৪ জন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ। ২০১৭ সাল ছিল বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের ৩য় কাউন্সিল অধিবেশন। সারাদেশের ২৮টি কলেজের শিক্ষার্থীদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে শেষ হয় কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন। এ অধিবেশনে আশিকুল কায়েস বিপুল ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান হাসানুজ্জামান হাসান। কাউন্সিল অধিবেশন পরবর্তী ২ মাসের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাঁর পদত্যাগের দাবি তোলে জেলা ও কলেজ পর্যায়ে। এরপর সংগঠনের সাধারণ হিসেবে সম্পাদকের দায়িত্ব পান উম্মে হানি মেঘলা।

২০১৮ সালের ২১শে গ্রন্থমেলায় একক ও যৌথ বইয়ের মাধ্যমে সারাদেশ থেকে ৩৬ জন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশে কবিতার পাতা বইয়ের মাধ্যমে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তে সামাজিক ও সৃজনশীল কাজের উপর সেরা তরুণ লেখক পুরস্কৃত হন মাগুরা শচীন্দ্রনাথ বিশ্বাস। স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ করে সেরা ৫ এর অধিকার অর্জন করেন পাবনার অনিক, মাগুরার কামাল শাহরিয়ার, শরিয়তপুরের আতিকুর ইসলাম, ঢাকার সাবিরা সুলতানা ও যশোরের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রিন্স।

২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল তরুণ লেখক পরিষদের দ্বিতীয় মেয়াদে ৭টি বিভাগ থেকে উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাজনীতি বিভাগ থেকে মোস্তফা আলমগীর রতন, প্রশাসনএএসপি মোঃ রবিউল ইসলাম, আইনজীবি মোঃ মাযহারুল আনোয়ার টিটু, সাহিত্যিক ব্যাংকার এজিএম দেবাশীষ ভট্টাচার্য, সাংবাদিক কাজী আব্দুল হান্নান মিরু ও সমাজ সেবক এ্যাড. মো: ফিরোজ আলম।

বৈশিষ্ট্য:

১। একুশে গ্রন্থমেলায় তরুণ লেখকদের নিশ্চিতকরণ।
২। ‘সাহিত্য সাম্প্রতিক’ শিক্ষামূলক সাংগঠনিক মুখপত্র প্রকাশ।
৩। সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করা।
৪। স্বাস্থ্যসেবায় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান।
৫। সামাজিকমূলক রক্তদান কর্মসূচি গ্রহণ।
৬। একে অপরের প্রতি সহযোগিতামূলক হাত বাড়িয়ে দেয়া।
৭। শিক্ষামূলক ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিযোগিতার আয়োজন।
৮। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম।
৯। বিষয়ভিত্তিক জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
১০। অনলাইন প্রকাশনা।