নিউজ ডেস্ক।। বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের লালমনিরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী গত ২০ এপ্রিল জেলার সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ের অভিমুখে অনুষ্ঠিত হয়।
তরুণ লেখক জনাব জামাল হোসেনের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব নির্মল চন্দ্র রায় ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র জেলার তরুণ লেখক পরিষদের উপদেষ্টা জনাব সুনীল কুমার সূত্রধর। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন লালমনিরহাট জেলার সদস্য নৃত্যশিল্পী জনান শিব সুন্দর বর্মণ।

বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানকে বিভিন্ন পর্বে বিভক্ত করে রঙিন সাজে সাজানো হয়। পর্বের মধ্যে ভিএসও গ্লোবাল ভলান্টিয়ার হেলথ ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড জয়ীকে সংবর্ধনা, অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসবের গ্রান্ড ফাইনাল বরণে কবিতা আবৃত্তি, গান ও নৃত্য প্রদর্শনী, কেক কাটা, বৈশাখ বরণে পান্তা উৎসব উদযাপন, গুণীজন সংবর্ধনা, অতিথিদের আলোচনাসহ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলার কবি সাহিত্যিক, লেখক ও সাংবাদিক সহ আরো অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
অমর একুশে বইমেলা -২০২৪ এ প্রকাশিত গ্রন্থের উপর লালমনিরহাট জেলা শাখার তরুণ লেখকদের অভিনন্দন পত্র প্রদান করা হয়।
সারাদিনের এ কর্মসূচি বর্ণিল সাজে রূপ ধারণ করে যা লালমনিরহাট তথা সারাদেশের তরুণ লেখকদের লক্ষ্য কেন্দ্রে পরিণত হয়।
তবে সারাদেশ থেকে এমন হাজারো তরুণ লেখকরা আবেগ অনুভূতি প্রকাশ করতে শুভকামনার বিভিন্ন টুইট বার্তাসহ কমেন্টসের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে আয়োজকবৃন্দের প্রতি।

ভালো কাজের স্বীকৃতি, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও লেখক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের সভাপতি জনাব আশিকুল কায়েসকে উপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে লালমনিরহাট জেলার সংগঠন ও লেখক সমাবেশ।
তরুণ লেখক পরিষদের লালমনিরহাট জেলার সভাপতি মো: জামাল হোসেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় তাকে দেওয়া হয় বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের কেন্দ্রীয় বিভাগ থেকে সংবর্ধনা।

বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের সভাপতি জনাব আশিকুল কায়েস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শুভকামনা জানিয়েছেন তার জেলা মাগুরা থেকে।
তিনি এক বার্তায় জানিয়েছেন- লালমনিরহাটে আমরা এক কিংবদন্তি পেয়েছি, যার প্রতিটি গতিবিধিতে লুকিয়ে আছে আগামীদিনের আবেগময়ী ভবিষ্যৎ। সেই সুউজ্জ্বলময়ী কর্ণধারের নাম মোঃ জামাল হোসেন।
তিনি জামালকে নিয়ে আরও বলেন, যেখানে বিশ্বের নোবেল পুরষ্কারের পরই ভিএসও গ্লোবাল ভলান্টিয়ার হেলথ ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড এর দ্বিতীয় অবস্থান সেখানে এটি অর্জন করা যার তার পক্ষে সহজ কথা নয়। যা জামাল তার কর্মের মাধ্যমে করে দেখিয়েছেন। জামাল কেবলমাত্র বাংলাদেশই নয় বরং সারাবিশ্বের জন্য একটি রোল মডেল।
অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসব গ্রান্ড ফিনাল পর্ব নিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি আশিকুল কায়েস বলেন, অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসব নতুন প্রজন্মের উদীয়মান কবি সাহিত্যিকদের জন্য প্রতিভা বিকাশের একটি মঞ্চ। সংগঠনটি তরুণ লেখক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য দর্পন স্বরূপ। তরুণ লেখকদের সামনে তুলে ধরতে সংগঠনটি কতটা সক্ষম তা এই অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসবই তার প্রমান করে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ লেখকদের এই উৎসবের মাধ্যমে প্রায় লক্ষাধিক দর্শকের সামনে কবিতার লেখকদের উপস্থাপন করতে পেরেছি এটিই আমাদের সফলতা। যারা এই উৎসবে যুক্ত হতে পেরেছেন তাদের সবার জন্য শুভকামনা। হার-জিৎ নামে কোন শব্দ এখানে উচ্চারণ করা যাবে না। সংগঠন বাঁচলে এমন উৎসব প্রতিবছরই হবে, সুতরাং সংগঠনকে ভালোবাসুন, দেখবেন জীবন পাল্টে যাবে। সম্মান এনে দেয়ার দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ।
সবশেষে লালমনিরহাটের অনুষ্ঠান সফল করতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের সভাপতি আশিকুল কায়েস।




