মায়ের ঋণ
কি দিয়ে শুধীবো মাগো
আমি তব ঋণ ।
আমি শুধু তব চরনেই মাগো
কাঙাল চির দিন ।।
তোমার উদরে থাকি আমি মা,
কত কষ্ট দিয়েছি আমি ।
রন্ধ্রে রন্ধ্রে হিসাব শুধু , করি তা বসে দিবা যামি ।।
তোমার কোলে বসিয়া কেঁদে ছি
লেগেছে যখন খুধা।
উজাড় করিয়া দিয়েছো মাগো,
ঢালিয়ে বুকের সুধা ।।
বক্ষ পরে দেখেছো মাগো,
কতনা আদর করে ।
কি দিয়ে আমি সুধীব এ ঋণ,
হাজার জনম ধরে ।।
কত যাতনা সহেছো মাগো,
করতে মানুষ মোরে ।
সুধীতে এ ঋণ সাদধ্য কি মোর,
জন্ম জন্মানন্তরে ।।
বিষ্ঠা মুত্র যত্র তত্র ,
ত্যাগিছি তব কোলে ।
ঘৃণা আর অবহেলায় তখন,
দাও নাই তো মোরে ফেলে ?
মাগো, কনকনে ঐ মাঘের শীতে
মূত্র ত্যাগেছি বিছানার পরে ।
ঠান্ডা যখন লেগেছে গায়ে,
কেঁদেছি শুধু হুঙ্গা করে।
কতনা পোড়া লেগেছে তখন,
রাখিতে উঠায়ে বক্ষ পরে ।
তোমার এ ঋণ কিদিয়ে সুধিবো
দিও মা তুমি ক্ষমিয়ে মোরে ।
আহ !
কি আদরের সন্তান আমি,
করেছো মোরে কতনা যতন।
কি পেলে মাগো জীবন ভরে,
আমি ,কি দিয়েছি তোমার মতন।
হয়েছি বড় কোথাও গেলে,
চেয়ে থাকো তুমি পথটি ধরে।
না খেয়ে তুমি এখন ও থাকো,
ছেলে তোমার এলোকি ঘরে।।
বৃদ্ধা বয়সে চলতে পারোনা ,
বলতো তোমায় দিয়েছি কি,মা?
বেশির ভাগই পেয়েছে মায়েরা,
লাঞ্ছনা আর ঐ গজ্ঞনা ।
পুত্রের দলে যায় কেন ভুলে,
মা যে আমার পবিত্র খাঁটি।
কেন তবে মায়ে এ কথা বলে,
পুত্র জন্মায় খেয়েছি মাটি।।
অণুতাপে কত মা বলে,
নিঃসন্তানই ছিলাম ভালো ।
কত অবহেলা করেছি মায়ে,
তাই আজি মায়ে এ চিন্তিল।।
ভুলোনা কভু ভুলো না ভাই,
মায়ের একটু ভুলের ত্বরে।
দুনিয়ার মুখ দেখতাম না আর,
হয়তো সে দিন যেতাম মরে।।
তাইতো বলি মায়ের চরণ,
লওনা ছুঁয়ে তাহার আশিষ ।
সংসারেতে থাকো তারা,
সবাই মিলে মা কে দেখিস।।
যে সংসারে এসে মাতা,
দিয়েছে সারা জনম ই শ্রম।
অবশেষে না যায় যেন,
বাস করতে সেই বৃদ্ধা আশ্রম।।
স্বর্গ কোথায় দুনিয়াতে ভাই,
পাইবা না তো তারে খুজে ।
মায়ের চরণ তলেই স্বর্গ,
থাকতে সময় ল ওনা বুঝে।।
মাগো তোমার কাছে আমি,
রইলাম হয়ে চির ঋণী,
সুধাতে মোর নাইকো সাধ্য ,
করিয় ক্ষমা মা জননী।।
মাগুরা




