বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসবের ফাইনাল রাউন্ডে অবস্থানরত প্রতিযোগী হিসেবে ভিজ্যুয়াল অডিশন বিভাগ থেকে আপনার কাছে কিছু প্রশ্ন;

প্রশ্ন: আপনার আসল নাম কী? বলতে চাচ্ছি- সচারাচর লেখালেখিতে যে নাম ব্যবহার করেন, সেটিই আসল কিনা?
উত্তর: আমার কাগজ কলমে নাম মোঃ নাজমুল হুসাইন। ডাকনাম শেখ মিজান। লেখালেখিতে ডাক নামেই চলে।
প্রশ্ন: কবিতা কবে থেকে লেখা শুরু করেছেন? লেখালেখির উৎসাহ কোথা থেকে।
উত্তর: যখন আমি ক্লাস নাইনে, কবিতা লেখা শুরু হয় তখনে। যখন ইছাখাদা স্কুলে ক্লাস নিতেন সুশীল স্যার, তখন থেকে কবিতা লেখার উৎসাহ আমার।

প্রশ্ন: প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে আপনি কোন অবস্থানে থাকবেন বলে মনে করেন।
উত্তর: কে লড়বে আমার সাথে ফাইনাল রাউন্ডে, ভাগ্যে যদি থাকে লেখা প্রথম অবস্থানে।
প্রশ্ন: অনলাইন জাতীয় কবিতা উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে কেমন অনুভব করছেন?
উত্তর: আমি ধন্য, আমার আকুতি প্রকাশ করতে পারার জন্য।
বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের সংস্পর্শে এসে নিজেকে মনে হচ্ছে লেখক হিসেবে সেট হয়ে গেছি। আমার আকুতি প্রকাশ করার জায়গা ছিলনা, যা আমাকে এ উৎসবটি জায়গা করে দিয়েছে। আমি যে লেখালেখি করি কেউ জানতো না আগে, এ উৎসবের ফলে আমার লেখালেখির বিষয়টি দৃশ্যমান হয়েছে। বর্তমানে সুশিল সমাজের লোকজন পথ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার লেখার খবর নিয়ে যায়, এরই মধ্যে আমার আনন্দ অশ্রুতে বহমান। ধন্য আমি এ প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পেরে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ সম্পর্কে আপনার অভিমত
উত্তর: আমার গায়ে লেগেছে কবির গন্ধ, আমি লিখি কবিতার ছন্দ।
বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ তরুণ লেখকদের একটি জায়গা করে দিয়েছে, যা একজন স্বার্থক লেখক হয়ে উঠার জন্য যথেষ্ট। একজন অসহায় লেখক তার লেখালেখি প্রকাশ ঘটানোর কোন মাধ্যম পায়না, আজকে সেই মাধ্যমের কাজটি অক্লান্তভাবে করে যাচ্ছে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ। উদাহরণস্বরূপ মাত্র কিছুদিন আগে আমাকে কেউ চিনতোনা, জানতোনা, ভালোবাসতোনা, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের কার্যক্রমে অংশ নিতে পেরে সমাজে আমার গ্রহণযোগ্যতা, উৎসাহ, ভালোবাসা, সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। এর থেকে বড় উদাহরণ আমার জন্য আর কি হতে পারে। আমার প্রত্যশা প্রতিবছরই এমন প্রতিযোগিতা চলমান থাকুক।



