বঙ্গনেতা
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে
এমন একজন শিশুর জন্ম হয়!
শান্তশিষ্ট সেই ছেলেটিই
মাতৃভূমির সাধীনতায় ব্যস্ত রয়।
প্রগতিশীল রাজনীতি কর্মি হন
তখন নবম শ্রেণির ছাত্র।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দিলে
বন্দি হন তিনিই এক মাত্র।
রাজদ্রোহী অপবাদে কারাগারে
মাতৃভূমি হলো সন্তান হারা!
গর্জে উঠেছিল বাংলার মাটি
তাঁহার অনুগামী সজন যারা।
তিনি পাকহানাদার শোষণমুক্ত
বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য।
সবার তরে জীবন বাজি করে
বিশ্বজুড়ে অতি সম্মানে ধন্য।
তাঁর বলিষ্ঠ আত্মত্যাগে অর্জন
উনিশ’শত একাত্তর সালে জয়।
অবহেলিতদের পাশে ছিলো
ঐ সে বিধাতা দয়াময়।
পূর্ব বংলার ক্ষণজন্মা অগ্নিপুরুষ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উদ্দোগী হন দেশ উন্নত করার
পাশে ছিল এ ভুমির জনগণ।
তোমরা যারা আজকে শিশু
করছো এই দেশে বাস।
শেখ মুজিবের জীবণি রাজনীতি
শাহাদত বরনের পড়বে ইতিহাস।
এদেশের মৃত্তিকায় সবুজে ঘেরা
জনদরদী শেখ মুজিবের ছবি!
মুজিব হয়েছেন বঙ্গনেতা
তিনি ভাই স্বাধীনতার কবি!
বিশ্ব সভায় বাংলা মায়ের
তিনি আসন দিয়েছেন পাতি!
উপহার পেয়েছি দেশ,পতাকা
একটি সার্বভৌম জাতি!
উনিশ’শত চুহাত্তর সালে জাতিসংঘে
বাংলায় প্রথম দেন ভাষণ!
ব্যাথাময় হৃদয়ে দায়িত্ব পান
ক্ষতিগ্রস্হ এ দেশের শাসন।
উনিশ’শত পঁচাত্তর সালে রক্তিম
পনেরো আগষ্ট তারিখে।
তিনি শাহাদত বরণ করেন
কতিপয় সামরিক বাহিনীর হাতে।
যোগ্য নেতার বিঙগ দেশ পরিচালনা
সইল না আমাদের কপালে।
আবির্ভাব হয়েছিল বাংলার বুক
তাঁকে হারায়েছি অকালে।
এ বাংলার বুকে এমন নেতার
দেখা মিলবেকী আর কভু?
জান্নাত বাসি করে দাও তুমি
মোর হে দয়াময় প্রভু।
সহকারি শিক্ষক
৬৪ নং আমুড়িয়া স,প্রা,বিদ্যালয়।
মগুরা সদর,মাগুরা।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ, মাগুরা




