এ যেনো অন্ধকার রজনী,
মায়া গুলো ভিষণ বাড়ছে ক্রমাগত তোমার প্রতি।
তোমার চোখে তাকিয়ে থাকছি,
অন্ধকার গুলো আলো হয়ে আসছে তোমার স্পর্শ পেয়ে।
তোমার কথার প্রতিটি শব্দ আমাকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে বাঁচার জন্য।
তোমার সব কিছুতেই হিসাব কষা আমার ভালোই লাগছে,
তোমার ব্যাস্ততার অজুহাত,
সব কিছুতেই দর দাম করা আমার ভালোই লাগছে।
তোমার হুটহাট করে প্রশ্ন গুলোর জবাব খুঁজতে খুঁজতে আমি ব্যাকুল হয়ে যায়।
আমি এ-ও জানি
কোনো একদিন আমার নাম্বার বল্ক করে দিবে,
মুছে দিবে মেসেঞ্জারে আমার ভাসমান ছবিটা-ও।
আমাদের হয়তো আর কখনো হবে না কথোপকথন,
তোমার ও হবে না সময় নিয়ে অঙ্ক কষা
হবেও না দরদামের হিসেব।
ভালো থেকো সেদিন
হয়তো আমারই ভুল তোমার বিশ্বাসের ঘরে আগুন জ্বেলেছি।
তবে সে আগুনে আমিই পুড়ছি
আমার কর্মের আমিই দোষী
কারণ আমি ডিকশনারির পাতায় খোঁজ নিয়েও পায়নি
বিরহ নামের কোন বাক্য লেখা আছে।
তাইতো হোচট খেয়েছি,
নিজের অজান্তেই। ভালোবাসাটা কতটুকু বেদনা দিতে পারে,
কতটুকু যন্ত্রণায় আবদ্ধ করে রাখে প্রতিটি ক্ষন জুড়ে,
তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই।
কারো কাছে হয়তো ভালোবাসার সংজ্ঞাটা অনলাইনে বোকা বাক্সের কোন এক কোনে বন্দী।
সবাই সবার অংক কষতে ব্যস্ত, পাওয়া, না পাওয়ার আক্ষেপ করতে করতে,
ভালোবাসা গুলো হারিয়ে যায়
কোন এক অদৃশ্য দাবার চালে।
হয়তো তোমার কাছে তাদের মতোই ভালোবাসার সংজ্ঞাটা এমনি,
তাইতো তুমি প্রকৃতপক্ষে ভালোবাসা চিনতে পারোনি, হয়তো বা আমিই তোমায় ভালবাসার যোগ্য হয়ে উঠতে পারিনি ।
কোন এক সময় সন্দেহের দাবানলে ভালোবাসা গুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়,
আর থেকে যায় একজন অন্যজনের প্রতি তীব্র ঘৃণা। প্রকৃতপক্ষে কেউ ভালোবাসা খুঁজে না ,
আর কেউ ভালবাসতে চায় না।
সবাই তো সবার স্বার্থ হাছিলে মরিয়া হয়ে ভালোবাসার ইতি টেনে নেয়।
আর অবশেষে তাদের কাছে হেরে যায় হৃদয়ের ভালোবাসা,
আর জিতে যায় মুখোশ মানুষ মুখোশ প্রেম।
সভাপতি, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ, কুমিল্লা




