বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের অন্যতম সদস্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ছাত্র মো. সাইফের সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে আছেন– হারুন অর-রশিদ
![]() |
| মো. সাইফ |
প্রশ্ন : সাইফ ভাই কিছু মনে না করলে আপনার ব্যক্তিগত বিষয়ে জানতে চাই?
উত্তর : বলুন কি জানতে চান, আমি প্রস্তুত আছি। প্রশ্ন : আপনার লক্ষ্য কি? উত্তর : আমার লক্ষ্য সর্বপ্রথম যেটা আসে সেটা একজন ভালো অভিনেতা হওয়া। অভিনয়ের মাধ্যমে মানুষের ভালবাসা অর্জন করা আমার মূল লক্ষ্য। প্রশ্ন : আপনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে কতটা তৎপর? উত্তর : নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে পড়াশুনা করছি সেইসাথে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সহ সভাপতির জায়গা করে নেবার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। কারণ আমার মনমানসিকতায় সৃজনশীলতার কথা বলে। যা তরুণ লেখক পরিষদের মধ্যে আছে। প্রশ্ন : অভিনেতা হবার ক্ষেত্রে আপনার পেছনে যে সফলতাগুলো কাজ করেছে তা একটু বলবেন কি? উত্তর : শুরুতেই বলতে গেলে অভিনয়ের সফলতার জগতে ‘নান্দনিক নাট্য সম্প্রদায়ে’ আমার হাতে খড়ি। এই সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত থেকে আমি বেশকিছু মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছি। তারমধ্যে ‘মহাবিদ্রোহ ও সম্রাট বাহাদুর শাহ’ ‘ক্লিওপেট্রা’ এবং সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে ‘নৃপতি’ নাটকে অভিনয় করেছি। শুধু মঞ্চ নাটকই নয়, পথ নাটকের সঙ্গেও আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এছাড়া টোকাই নাট্যদলের সঙ্গে অনেকদিন ধরে কাজও করছি। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা আমায় অনেকটা সাপোর্ট দিচ্ছে। আর বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদতো আছেই, বিশেষকরে তরুণ লেখক পরিষদের সভাপতি আশিকুল কায়েসের নিকট আমি কৃতজ্ঞ। প্রশ্ন : সামনে আপনার তেমন কোন ব্যস্ততা আছে কি না? উত্তর : রাহমান চৌধুরির রচনায় ‘নিঃশঙ্কোচিত্ত’ নাটকে অভিনয় নিয়ে আপাতত ব্যস্তই থাকবো। এছাড়াও আরও দুটি স্ক্রীপট নিয়ে কথাবর্তাও চলছে। প্রশ্ন : আপনার সফলতাকে দর্শক কিভাবে দেখবে বলে আপনি আশা করেন? উত্তর : এটা আসলে খুবই কঠিন প্রশ্ন। দর্শক আমায় কিভাবে বিবেচনা করবে আমার অবস্থানে থেকে সেটা বুঝা সম্ভব নয়। তবে আমার অভিনয় দ্বারা দর্শক ও ভক্তদের ভালবাসা ধরে রাখার চেষ্টাতো অবশ্যই করতে পারি। প্রশ্ন : আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
উত্তর : আপনাদেরকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের গণমাধ্যমকেও ধন্যবাদ জানাই।




