“বৃষ্টি মিনা

” একদিনে পাননি তিনি
আশিকুল কায়েস এর খেতাব
এক বছরে ছড়িয়ে পড়েনি তার প্রতাপ
এইজন্য সহ্য করতে হয়েছে,
তাকে অনেক তাপ এত কষ্ট,
তবুও দেননি কাউকে তিনি অভিশাপ।
বছরের পর বছর কাটিয়েছেন তিনি মানুষের মনের জেলে
অনেক নির্যাতনের পর তার এই নাম মেলে
মানুষ তাকে দিয়েছিল ভালোবাসে এই নাম
এইজন্য সারা বাংলাদেশে এত বেশি দাম।
ছাত্রজীবন থেকে ছিল তার প্রতিবাদী ভাষা
তাইতো সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে নিয়ে করতো আশা
তার জীবনে আসেনি কখনো নিরাশা
তরুণ লেখকদের এগিয়ে নিয়ে যাবে,
এটাই ছিল তাঁর প্রত্যাশা।
সিংহের মত দিয়েছিলেন তিনি গর্জন
তাইতো”বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ”করতে পেরেছিলেন অর্জন
হঠাৎ পথ চলতে গিয়ে দেখা হলো এই মহামানবের সাথে
তার সততা আর ভালোবাসায় আমি গেলাম যেনো মেতে।
তাঁর এত ছিল মহৎ গুণ
শুনে আড়চোখে দেখে তো আমি খুন
তার কথা বলার ধরণ ছিল এতটাই মিষ্টি
সে যে বিধাতার অপরূপ সৃষ্টি
এই কথাগুলো লিখছি নাম আমার বৃষ্টি।
তার হাসিতে যেন ফুটে পবিত্র গাছের ফুল
তার মহান ভালোবাসাতে ছিল না কোনো ভুল
সততাই তার একমাত্র ছিলো জয়ের মূল ।
আশিকুল কায়েসের মূল ছিল খুব শক্ত
তাইতো সারা বাংলাদেশের মানুষ তার ভক্ত
সে নামাজ পড়তো পাঁচ অক্ত
সবার ভালো করার জন্য,ঝরাই নিজের গায়ের রক্ত।
জীবনে যার আছে গতি,
তার আছে সুমতি
জীবনে যে করিবে সুন্দর কাম,
তার থাকবে নাম
জীবনে যার আছে ছন্দ,
তার থাকবেনা কিছু বন্ধ
জীবনে যে দিবে কাজে মন,
সে পাইবে অমূল্য ধন
জীবনের যে থাকবে সৎ,
তার কথায় দেয় সবাই মত
জীবনে যে হাঁটবে ন্যায্যতার পথে,
সচল থাকিবে তার যুদ্ধ রত
জীবনে যে শুধু করে যাবে দান,
বেড়ে যাবে তার মান
জীবনে যে অন্যকে করিবে সম্মান,
বিনিময়ে পাবে বড় সম্মান
আশিকুল কায়েসকে অন্তর থেকে করি ভক্তি
তাই জীবনে বেঁচে থাকার জন্য পেয়েছি নতুন শক্তি
সম্মান জানিয়ে কবিতা করতে চাই শেষ
প্রিয় বড় ভাই এভাবে এগিয়ে নিয়ে যাই যেনো,
সোনার বাংলাদেশ।


