বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় এর কতটুকু যথোপযুক্ত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে আশা করা যায় ? পিএসসি পরীক্ষার নামে প্রাথমিক শিক্ষায় চলছে পড়ালেখার ব্যপক প্রতিযোগিতা। তাদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ডজনখানেক বই। অথচ মূল্যবোধ সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ে, এই বয়সে এত্তগুলো বই সম্পর্কে ওরা বোঝে কি ? তাদের মধ্যে মূল্যবোধ সৃষ্টির গুণগুলো জোর করে চাপা দেওয়া হচ্ছে। মূল্যবোধ ও নৈতিকতার বিষয়টি চর্চার বিপরীতে চর্চা করা হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকের পড়া। প্রতিদিন ভোরবেলা দেখা মেলে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা কাধে বইয়ের ব্যাগ ঝুলিয়ে কোচিং এ যাচ্ছে। তবে মজার বিষয় এই হলো, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রস্তুতির পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে ওদের মা অভিভাবকেরাও। কারণ প্রতিযোগিতামূলক প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের চেয়ে মায়েদের পড়ালেখার প্রস্তুতিই বেশি। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক শিক্ষায় রূপান্তরিত করলেও সেটার ভার সহ্য করার মতো ক্ষমতা যে কোমলমতি শিশুদের নেই, একথা সরকারি উপরি মহলের কেউ ভাবে বলে মনে হয় না। ঐসকল মহলের চিন্তা শুধু কিভাবে শিক্ষাটাকে আপডেট করা যায়। শিক্ষার্থীদের সিস্টাচারিতা ও মূল্যবোধ তৈরিতে বর্তমান শিক্ষা কতটুকু যুগোপযোগি ভূমিকা পালন করছে পারিপার্শ্বিক অবস্থার দিকে নজর দিলেই সম্যক ধারনা পাওয়া যায়। শিক্ষা কি শুধু শিক্ষাঙ্গণে বাস করে ? ।। আশিকুল কায়েস ।।
মনুষ্যত্ববিকাশে আমরাযখন মূল্যবোধেরচরম পর্যায়েঠেকে যায়, তখন প্রশ্নএসে ভরকরে তাহলেস্কুল কলেজবিশ্ববিদ্যালয় একজন শিক্ষার্থীর মনুষ্যত্ব সৃষ্টিতেকতটুকু ভূমিকারেখেছে ? তখনশিক্ষাঙ্গণের শিক্ষাটা নৈতিকতা ও অনৈতিকতারমুখোমুখি হতেবাধ্য করে।শিক্ষাঙ্গণে একজন শিশুর মনুষ্যত্ব গঠনে প্রথম পর্যায় হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা। এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শিশু মৌলিক চেতনা সম্পর্কে ধারণা পায়। কিভাবে মানুষকে সম্মান করতে হবে? কিভাবে তাদের সাথে চলতে…
বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় এর কতটুকু যথোপযুক্ত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে আশা করা যায় ? পিএসসি পরীক্ষার নামে প্রাথমিক শিক্ষায় চলছে পড়ালেখার ব্যপক প্রতিযোগিতা। তাদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ডজনখানেক বই। অথচ মূল্যবোধ সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ে, এই বয়সে এত্তগুলো বই সম্পর্কে ওরা বোঝে কি ? তাদের মধ্যে মূল্যবোধ সৃষ্টির গুণগুলো জোর করে চাপা দেওয়া হচ্ছে। মূল্যবোধ ও নৈতিকতার বিষয়টি চর্চার বিপরীতে চর্চা করা হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকের পড়া। প্রতিদিন ভোরবেলা দেখা মেলে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা কাধে বইয়ের ব্যাগ ঝুলিয়ে কোচিং এ যাচ্ছে। তবে মজার বিষয় এই হলো, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রস্তুতির পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে ওদের মা অভিভাবকেরাও। কারণ প্রতিযোগিতামূলক প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের চেয়ে মায়েদের পড়ালেখার প্রস্তুতিই বেশি। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক শিক্ষায় রূপান্তরিত করলেও সেটার ভার সহ্য করার মতো ক্ষমতা যে কোমলমতি শিশুদের নেই, একথা সরকারি উপরি মহলের কেউ ভাবে বলে মনে হয় না। ঐসকল মহলের চিন্তা শুধু কিভাবে শিক্ষাটাকে আপডেট করা যায়। শিক্ষার্থীদের সিস্টাচারিতা ও মূল্যবোধ তৈরিতে বর্তমান শিক্ষা কতটুকু যুগোপযোগি ভূমিকা পালন করছে পারিপার্শ্বিক অবস্থার দিকে নজর দিলেই সম্যক ধারনা পাওয়া যায়। Related posts

বিগতদিনে তরুণ লেখকরাই এদেশের নতুন পথ দেখিয়েছে আগামীতে তরুণ লেখক পরিষদও এদিকেই এগিয়ে যাবে – মেনন
আজ সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের ২১শে গ্রন্থমেলা প্রকাশনা উপকমিটির উদ্যোগে বাংলা একাডেমীর মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে পরিষদের সদস্যদের পাঁচটি…

তরুণ লেখক পরিষদ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি মিলন ও সাধারণ সম্পাদক জিসান
বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সম্মেলন গত ২৭ জুন ২০১৮ জেলা সদরে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন থেকে কমিটির একটি…

মলয় স্যার পুনরায় সভাপতি ও রাম প্রসাদ বাগচী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
রিপোর্ট।। মাগুরা জেলায় বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের বুনাগাতী ডিগ্রী কলেজ শাখায় পুনরায় সভাপতি হলেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক মলয় কান্তি মজুমদার …
