অতীত আমি গেছি ভুলি
মনের সুখে নিরাই ইরি।
মাটিতে হাঁটু ফেলি
মাথাটা নিচু করি
মাটিটা খামচি ধরি
আগাছাগুলো ফেলছি তুলি।
ক্লান্তি তখন আসে ঘিরি
হারানো দিনের গান
গাইতে থাকি।
এভাবে নিত্য আমি
নিরাই চারা যত্ন করি।
আমার হাতের পরশ পেয়ে
ধানের চারা
লক লকিয়ে উঠছে বেড়ে।
কচি ধানের উপর দিয়ে
বাতাস নেচে যায়
ঢেউ তুলে।
সবুজ চারার নাচন দেখে
নয়ন আমার যায় জুড়ে।
সূর্য যখন হেলে পড়ে
ক্লান্তি দেহে ফিরি গৃহে।
বউটি আমার হাসি মূখে
গোসলের পানি দেয়গো এনে।
বউয়ের মুখের হাসি দেখে
ক্লান্তি আমার যায়গো চলে।
চৈএ বৈশাখ আসলে পরে
ধানের শীষে
মাঠ যায় ভরে।
তাইনা দেখে
হৃদয় আমার যায় জুড়ে।
মেঘ ডাকে গুরু গুরু
বক্ষ করে দুরু দুরু
কাল বৈশাখী সর্বনাশি
কখন যানি হয় শুরু।
ব্যস্ত হয়ে কাস্তে হাতে
মাঠ পানেতে যাই ছুটে।
কাটতে থাকি কচাকচ
ধানের বোঝা মাথায় নিযে
ফিরি বাড়ি মচামচ।
দর দরিয়ে ঘাম ছুটে
সেই দিন নেই খেয়াল মোটে
সারা রাত চলতে থাকে
ধান মাড়ানির গান।
উঠান পড়ে জমতে থাকে
রাশি রাশি ধান।
তাইনা দেখে
চোখে মুখে ফুটে উঠে
দীপ্ত হাসি তৃপ্ত হাসি
শিল্পী তুমি লয়ে তুলি
আঁকতে পার আমার ছবি।
কবি তুমি লেখতে পার
গায়ক তুমি গাইতে পার
মোর জীবনের গান !!!!
সদস্য, ঢাকা জেলা



