কামাল শাহরিয়ার ।। এ দেশের ক্ষমতা এখন ভারতের মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিৎ। অন্তত ৭ দিন। কারণ; সে ৭ দিনে ফাটা কেষ্ট হয়ে হয়তো আমাদের বাঁচাতে পারবেন। যারা ভাবছেন এখন আওয়ামী লীগ দেশ চালাতে অক্ষম, বিএনপি বা অন্য দল হলে ভাল হত তারা ভিন্ন গ্রহে বসবাস করছেন। এই সরকার যা করছে অন্যান্য দলের ভাল লাগছেনা, আবার এর পরে যে সরকার আসবে সে যা করবে এই সরকারের তখন ভাল লাগবেনা, এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই গণতন্ত্র চলে। এখন আমার কথা হল, আমরা যারা সাধারণ মানুষ তাদের সচেতন হয়ে সরকারকে সাহায্য করতে হবে। আমরা যদি শুধু সরকারকে বলি গম দিন, আটা দিন, টাকা দিন, গাড়ি দিন সে একা আর কত দিবে? আমরা ১৬ কোটি জনতা যা দিতে পারব একা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব নয়। ধরুন রাস্তার একজন ভিক্ষুককে আমরা ভিক্ষা দিই, তাই না? এখন, তাকে যদি আমরা একটা করে মাথাপিছু টাকা দিই তাহলে তার কত টাকা হবে? ১৬ কোটি টাকা কারণ আমরা ১৬ কোটি জনগন ৩২ কোটি হাত। ১৬ কোটি টাকা যদি ঐ ভিক্ষুক ১৬ জনের মধ্যে বণ্টন করে তাহলে এক ভিক্ষুক পাবে ১ কোটি টাকা। এর পর ঐ ১৬ জন যদি ১৬০০ জনের মাঝে বিলি করে তাহলে ১ জন পাবে ১ লক্ষ টাকা। এবং একজন ভিক্ষুক ১ লক্ষ টাকা পেলে ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে অবশ্যই সে ব্যবসা করবে। তবে এক্ষেত্রে আমরা যেহেতু বাঙ্গালী তখন অবশ্যই ভিক্ষুকের সংখ্যা বেড়ে যাবে। এদিকে নজর রাখতে হবে। যার এলাকা সে অবশ্যই জানে এখানে কতজন ভিক্ষুক আছে। তাহলে দাড়ালো কি দিনে আমরা ১ টাকা করে দান করলে ১৬০০ জন ভিক্ষুক/বেকার/ভূমিহীনের রুজির ব্যবস্থা করা যায়। কত দিন লাগে? যদি প্রতিদিন ১৬০০ জন ভিক্ষুকের ভিক্ষাবৃত্তি আমরা দূর করতে পারি তাহলে দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে? এভাবে আমরা সবাই যদি সহযোগিতার হাত নিয়ে এগিয়ে আসি, তাহলে দেশের বেকার সমস্যা, ভিক্ষাবৃত্তি, দরিদ্রতা দূর করা সম্ভব। এর জন্য আমি মনে করি সরকারের একটি ট্রাস্ট/ ফান্ড থাকা দরকার এবং যা মনিটারিং করবে খোদ ভাল লোক। যার কোন লোভ লালসা নেই। সে প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করবে। একটি একটি থানা ধরলে ৪৯৯ দিনে বাংলাদেশ হবে বিশ্বেশ্বরী বিশ্বের এক নম্বর ধনি দেশ। যেহেতু ৪৯৯ টি থানা রয়েছে। কোন সরকার যদি চাই সে মাত্র ২ বছরে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে উন্নয়ের পিতা হিসেবে তুলে ধরতে পারে। এর জন্য দরকার আইডিয়া এবং তদানুযায়ী কাজ। কারণ অভাব আমাদের জঙ্গি করছে, আই এস করছে, বেকার করছে, সবাই যদি খাবার পায় এমনটি হবেনা। “কেউ খাবে কেউ খাবে না তা হবে না তা হবে না” হাতে গোনা ১০০ জন লোকের যে সম্পদ বাংলাদেশে আছে বাকি ১৬ কোটি মানুষের তা নেই। আর ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করায় শ্রেয়। এখন আমার মত সাধারণ মানুষের দেশ পরিচালনার ব্রেইন আসে কোথা থেকে? এই বলে আমার এই তত্ত্বটিকে উড়িয়ে দিবে ভদ্র ও অধিকাংশ শিক্ষিত সমাজ। কিন্তু কিছু লোক অবশ্যই আছে যারা আমার সাথে একমত হবেন। আসুন আমরা সেই সংখ্যা লঘিষ্ঠরা এই পোস্টটা শেয়ার করি। যদি কোন দিন ফেইসবুকের কল্যানে এটা কোন মন্ত্রী মহোদয় বা দেশ পিতা-মাতাদের চোখে পড়ে তাহলে তারা হয়তো বিষয়টি নিয়ে কাজ করলেও করতে পারে। আজ হয়তো আমার লেখাকে অনেকেই গ্রহণ করবেন আবার অনেকেই করবেন না। যারা করবেনা তাদের বলি আমার কলম লিখতে চায় কিন্তু আপনার মত মানুষেরা লিখতে বাঁধা দেয় যার ফলে রবী, নজরুল আর জন্মায় না। যদি উৎসাহ দেন, তাহলে এমন অনেক লেখক বা আইডিয়াদাতা আমাদের বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদে আছে যাদের একটি লেখা এক একটি শ্রমিক হয়ে দেশের জন্য কথা বলবে এবং কাজ করবে। বিদেশীদের যে মেধা আছে আমার সোনার বাংলার লেখক সাহিত্যকদের কোন অংশে কম নেই ইনশাল্লাহ!
কামাল শাহরিয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ, মাগুরা জেলা।

