লজ্জাভরা মুখ খানিকে লাল শাড়িতে ঢেকে,
শশুর বাড়ি আসলো মেয়ে পায়ে আলতা মেখে।
আপনজনদের ছেড়ে এসে বদনখানি ভার,
সুগভীর কালো চোখ দুটিতে স্বপ্ন আঁকা তার।
দু-এক বেলা অনাহারে যদিও কাটেদিন,
তবুও তার নাই অভিযোগ,মুখটা অমলিন।
বিয়ে হলো দু-তিন বছর,অনেক কষ্টের মাঝে
সবুরনের কুঁড়ে ঘরটি সাজলো নতুন সাজে।
মা হলো সে,পেল ধরিত্রীর সেরা সম্মান
কুঁড়েঘর আলো করে এলো তার সন্তান।
খোকার মুখে আধো বুলি,দু-এক পা হাটে,
পুড়লো কপাল,ঘটলো তাহা যা ছিলো তার ঘটে।
শশুর বাড়ি আসলো মেয়ে পায়ে আলতা মেখে।
আপনজনদের ছেড়ে এসে বদনখানি ভার,
সুগভীর কালো চোখ দুটিতে স্বপ্ন আঁকা তার।
দু-এক বেলা অনাহারে যদিও কাটেদিন,
তবুও তার নাই অভিযোগ,মুখটা অমলিন।
বিয়ে হলো দু-তিন বছর,অনেক কষ্টের মাঝে
সবুরনের কুঁড়ে ঘরটি সাজলো নতুন সাজে।
মা হলো সে,পেল ধরিত্রীর সেরা সম্মান
কুঁড়েঘর আলো করে এলো তার সন্তান।
খোকার মুখে আধো বুলি,দু-এক পা হাটে,
পুড়লো কপাল,ঘটলো তাহা যা ছিলো তার ঘটে।
স্বামীহারা হলো মেয়ে,বয়স বছর বিশ-বাইশ,
ব্যাথাতুরা সেই হতভাগিনীর রইলোনা কেউ সহিস।
জীবন যুদ্ধে বীরঙ্গনা এই অভাগী পল্লীনারী,
প্রতিকুল পরিবেশে বেয়ে চলেছে সংসার নামক তরী।
কখনো কারো ক্ষেতের ফসল,তুলে দেয় তার গোলায়
সারা রাত্রি ধপাস ধপাস ঢেঁকিতে ধান ভানায়।
এমনি করে দিন,মাস,বছর কাটে যুগের পর যুগ,
খোকা তাহার বাবা হলো,তবু নাহি জোটে সুখ।
তাসের আড্ডা,জুয়ার নেশায় মাতাল হয়ে খোকা,
উঠতে বসতে মা-বৌকে দিতে থাকে ধোঁকা।
হঠাৎ একদিন খোকা তাহার হইলো নিরুদ্দেশ,
পুত্রশোকে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের চক্ষু শেষ।
ব্যাথাতুরা সেই হতভাগিনীর রইলোনা কেউ সহিস।
জীবন যুদ্ধে বীরঙ্গনা এই অভাগী পল্লীনারী,
প্রতিকুল পরিবেশে বেয়ে চলেছে সংসার নামক তরী।
কখনো কারো ক্ষেতের ফসল,তুলে দেয় তার গোলায়
সারা রাত্রি ধপাস ধপাস ঢেঁকিতে ধান ভানায়।
এমনি করে দিন,মাস,বছর কাটে যুগের পর যুগ,
খোকা তাহার বাবা হলো,তবু নাহি জোটে সুখ।
তাসের আড্ডা,জুয়ার নেশায় মাতাল হয়ে খোকা,
উঠতে বসতে মা-বৌকে দিতে থাকে ধোঁকা।
হঠাৎ একদিন খোকা তাহার হইলো নিরুদ্দেশ,
পুত্রশোকে কাঁদতে কাঁদতে মায়ের চক্ষু শেষ।
আঁখিদ্বয় তার অন্ধ হলো,কি জানি কি দোষে?
একি খেয়ালী বিধির খেয়াল,নাকি ভাগ্যের পরিহাসে?
বাড়লো বয়স,রোগে-শোকে দেহ হলো নুহ্য,
হাজারও বাঁধা,প্রতিকুলতা করে গেল সহ্য।
চোখ হারিয়ে হারালো সে সকল কাজের ধার,
শত কষ্টের মাঝেও কভু সে মানেনিকো হার।
এত কিছুর মাঝেও একটু সুখের জায়গা তার,
ঘরের পাশেই আছে একটা ঝুপড়ি ঢেঁকিঘর।
দিন-দুপুরে,রাত-বিরাতে,ধান ভানে একমনে,
ঢেঁকিতেই তার সর্বসুখ, জানে সাধারণে।
যারা ছিলো আপনজন তারা সবাই হলো পর
নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গী হয়ে রইলো ঢেঁকিঘর।
পাড়ার যত বয়স্কারা হেথা এসে আড্ডা জমায়
নির্বাক ঢেঁকি হাসি-কান্নার সাক্ষী হয়ে রয়।
কোন একদিন সবুরনের থাকবেনা নিঃশ্বাস,
ঢেঁকি-বৌয়ের ঢেঁকিঘরে সবে ফেলবে দীর্ঘশ্বাস।
একি খেয়ালী বিধির খেয়াল,নাকি ভাগ্যের পরিহাসে?
বাড়লো বয়স,রোগে-শোকে দেহ হলো নুহ্য,
হাজারও বাঁধা,প্রতিকুলতা করে গেল সহ্য।
চোখ হারিয়ে হারালো সে সকল কাজের ধার,
শত কষ্টের মাঝেও কভু সে মানেনিকো হার।
এত কিছুর মাঝেও একটু সুখের জায়গা তার,
ঘরের পাশেই আছে একটা ঝুপড়ি ঢেঁকিঘর।
দিন-দুপুরে,রাত-বিরাতে,ধান ভানে একমনে,
ঢেঁকিতেই তার সর্বসুখ, জানে সাধারণে।
যারা ছিলো আপনজন তারা সবাই হলো পর
নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গী হয়ে রইলো ঢেঁকিঘর।
পাড়ার যত বয়স্কারা হেথা এসে আড্ডা জমায়
নির্বাক ঢেঁকি হাসি-কান্নার সাক্ষী হয়ে রয়।
কোন একদিন সবুরনের থাকবেনা নিঃশ্বাস,
ঢেঁকি-বৌয়ের ঢেঁকিঘরে সবে ফেলবে দীর্ঘশ্বাস।
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ

