যদি ভালবাসা নাহি দাও
।। সৈকত কানন ।।
যদি ভালবাসা নাহি দাও
ভালবাসা নাহি তবে চাই গো
যাতনা যদি দিতে চাও
দাও,দু-হাত ভরিয়া দাও গো।
তোমার যতনে দেয়া যাতনায়
পিষে মিশিব ধুলোয়
মাড়িয়ে সে পথের ধুলো
যদি তবু তুমি যাও গো।
তুমি যত ব্যাথা দাও
যত তিরস্কার পার,নাও করে নাও
নাহি তবু ফুটিবে আর্তবুলি
যদি তুমি তবু সুখ পাও গো।
বিষণ্ণ মনে,সজল নয়নে
যদি কভু আসি, দেখিতে হাসি
দিওনা সেদিন অন্তত তাড়িয়ে
সহাস্যবদন দেখিতে একবার দিও গো
আমার অস্তিত্ব,আমি বাংলাদেশি
।। সৈকত কানন।।
আমি বাংলাদেশ-এ বিশ্বাসী
আমি বাঙ্গালি, আমি বাংলাদেশি।
আমি বাংলা-য় বিশ্বাসী
আমি স্বাধীন বাংলা ভাষাবাসী।
আমি মুজিব-এ বিশ্বাসী-
মুজিব মানে আজও অসহায়ের স্বস্তি।
আমি দেশপ্রেম-এ বিশ্বাসী
চাই সন্ত্রাসবাদের সমাপ্তি।
আমি সর্ব-ধর্ম-ঐক্যে বিশ্বাসী
সাম্প্রদায়িকতা যাক ধূলোয় মিশি।
আমি চির সবুজে বিশ্বাসী-
চাই না কভু রক্তস্রোতে ভাসি।
আমি কবিত্বে বিশ্বাসী-
কবিতা জন্মাক রাশি রাশি।
আমি স্বপ্নে বিশ্বাসী –
এ দেশ আমার হবে একদিন স্বপ্নময়ী।
আমি মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী –
এ যুদ্ধ চলবে শাশ্বত মুক্তি অবধি।
আমি আমার অস্তিত্বে বিশ্বাসী –
আমার অস্তিত্ব,আমি বাংলাদেশি।
ঝুম বরষা
।। সৈকত কানন ।।
ঘন বারী বরষায়
হৃদয়ের সীমানায়
বাজে এ কোন নিক্বণ?
ছেড়ে শৃঙ্খল
যেতে চায় মন-
দূরান্তের বারীকুয়াশায়।
ঝনঝন, শনশন
হৃদয়ে লাগে কাঁপন,
মুক্তির স্বাদে,ভরা প্লাবনে
দূর তরুণীর সঙ্গ যাপনে
বাসনা জাগে আজ বদ্ধ হিয়ায়!
রবি আজ হাসিতে বিমুখ
লভিতে বারীসুখ,
আতপ্ত গা ভেজাবে
তাই,লুকায়েছে ঘন মেঘে।
এ কেমন লিপ্সা জাগিল
মনে তাঁর আজিকায়?
বৃক্ষরাজি চেয়ে থাকে-
ধূলোর চাপা হতে
কবে ফুটিবে সবুজ
তার পত্র পটে।
তার ইচ্ছেও হতেছে পূরন
আজ এ বেধুন বরষায়।
কত স্মৃতি কত মায়া
হৃদয়ে আজি দিল দোলা।
বর্ষা নাহি সহিতে পারি
এ ক্ষনে-ই হারিয়েছি প্রেমী!
আজ কেন মন মজিল
ফের তবে ঝুম বরষায়?
সৈকত কানন, সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ, শহীদ তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।



