আমার এক পাজি বন্ধু Md Abu Huryra জয় পরাজয়ের প্রশ্নে বাঁচার খেলায় মত্ত। চাকরির স্থান কুমিল্লায়। ওর মুখেই শোনা ও নাকি আগের চেয়ে অনেক চালাক হয়েছে, নিজের কর্ম নিজে করেই খেতে পারে। ওরমত এমন একটা হতৎছড়া কুমিল্লায় গিয়ে এতটা পরিবর্তন হয়েছে যে আছে বহাল তবিয়তে।
ছোটবেলা থেকেই একে অপরের সাথে জানাশোনা। তার জীবন নামক স্টেডিয়ামে সৃষ্টিকর্তা প্রতিপক্ষ হয়ে কত সময় খেলবেন আমার জানা নেই। আমার সাথে প্রতিপক্ষের সাক্ষাৎ হয়নি তবে গ্যালারিতে দর্শক হয়ে চেয়ে দেখেছি জীবনের কঠিন বাস্তবতায় বারবার ল্যাং খেয়ে পড়ে যাবার দৃশ্য। ফাউল হয়েছে ওর জীবনে খুব বেশি। তবে এ ফাউলের কোন পুনরাবৃত্তি নেই, বরং লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি। কতবার উঠে দাঁড়িয়ে নিজেকে তৈরি করার চেষ্টা করেছে সেটার সাক্ষী আমি নিজেই। কেননা তার জীবনের বাঁচার খেলায় কখনও আমি কোচ হয়ে পরামর্শ দিয়েছি আবার কখনও দর্শক। ঘোরপাকের মধ্যে দেখেছি খেলায় বিভিন্ন কৌশল পরিবর্তন করতে। ওর অন্তরালে যে ভয়াবহ কাঁদার ছিটানি চলছে সেই খবরটা নিশ্চয়ই ও আর প্রতিপক্ষ সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কেউ খুব বেশি জানে না।
আজকের বাস্তবতায় ওর দিকে চেয়ে হাতে তালি দিতে বড্ড ভয় লাগে। ওর ঘুরে দাঁড়ানো আর জীবনের গতি দেখে দর্শক কাতার থেকে বারবার চেচিয়ে বলতে ইচ্ছে করে এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও, জয় এবার নিশ্চিত। অল্প সময়ে এত ভালো খেলুড়ে হয়ে উঠবে আমি ভাবতেও পারিনি।
ও এখন গলির হাটের বাবু, ওকে দেখলে কতজনে সম্মান করে।
ভয়ও লাগে খেলার হাফটাইম পরবর্তী অংশে স্কোর না পাল্টে যায়।
তারপরও যতই বিপত্তি আসুক না কেন ওর পাশে আমার থাকা চায় চায়। কেননা ও আমার একটা ভালো বন্ধু। সে যে তবিয়তেই থাকুক না কেন জীবনের বাজি ধরে স্পটফিক্সিং করেও সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে ওর জন্য বারবার সুযোগ চেয়ে নেয়াটা হচ্ছে আমার মত বন্ধুর কাজ।
বন্ধু হয়েছি বিশ্বাসে ছুরি দিতেতো আর পারিনা।
সবসময় ওর জন্য চাওয়া ভালো থাকুক। থাকুক বহাল তবিয়তেই।
ওর জন্য শুভ কামনা।
ছোটবেলা থেকেই একে অপরের সাথে জানাশোনা। তার জীবন নামক স্টেডিয়ামে সৃষ্টিকর্তা প্রতিপক্ষ হয়ে কত সময় খেলবেন আমার জানা নেই। আমার সাথে প্রতিপক্ষের সাক্ষাৎ হয়নি তবে গ্যালারিতে দর্শক হয়ে চেয়ে দেখেছি জীবনের কঠিন বাস্তবতায় বারবার ল্যাং খেয়ে পড়ে যাবার দৃশ্য। ফাউল হয়েছে ওর জীবনে খুব বেশি। তবে এ ফাউলের কোন পুনরাবৃত্তি নেই, বরং লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি। কতবার উঠে দাঁড়িয়ে নিজেকে তৈরি করার চেষ্টা করেছে সেটার সাক্ষী আমি নিজেই। কেননা তার জীবনের বাঁচার খেলায় কখনও আমি কোচ হয়ে পরামর্শ দিয়েছি আবার কখনও দর্শক। ঘোরপাকের মধ্যে দেখেছি খেলায় বিভিন্ন কৌশল পরিবর্তন করতে। ওর অন্তরালে যে ভয়াবহ কাঁদার ছিটানি চলছে সেই খবরটা নিশ্চয়ই ও আর প্রতিপক্ষ সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কেউ খুব বেশি জানে না।
আজকের বাস্তবতায় ওর দিকে চেয়ে হাতে তালি দিতে বড্ড ভয় লাগে। ওর ঘুরে দাঁড়ানো আর জীবনের গতি দেখে দর্শক কাতার থেকে বারবার চেচিয়ে বলতে ইচ্ছে করে এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও, জয় এবার নিশ্চিত। অল্প সময়ে এত ভালো খেলুড়ে হয়ে উঠবে আমি ভাবতেও পারিনি।
ও এখন গলির হাটের বাবু, ওকে দেখলে কতজনে সম্মান করে।
ভয়ও লাগে খেলার হাফটাইম পরবর্তী অংশে স্কোর না পাল্টে যায়।
তারপরও যতই বিপত্তি আসুক না কেন ওর পাশে আমার থাকা চায় চায়। কেননা ও আমার একটা ভালো বন্ধু। সে যে তবিয়তেই থাকুক না কেন জীবনের বাজি ধরে স্পটফিক্সিং করেও সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে ওর জন্য বারবার সুযোগ চেয়ে নেয়াটা হচ্ছে আমার মত বন্ধুর কাজ।
বন্ধু হয়েছি বিশ্বাসে ছুরি দিতেতো আর পারিনা।
সবসময় ওর জন্য চাওয়া ভালো থাকুক। থাকুক বহাল তবিয়তেই।
ওর জন্য শুভ কামনা।
শুভ জন্মদিন।
আশিকুল কায়েস



