মানুষের সম্পূ্র্ণ মাথার মধ্যে
কুচিন্তা তার এক-তৃতীয় অংশে পূর্নতা পেয়েছে।
আর বাকি একভাগ অভাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ,
তাহলে কিভাবে তোর আর আমার কথা ভাববে
হালা হামজাদার দল…
কি হবে আর স্বাধীনতাকে বুকে ধরে
পেটে যদি ক্ষুধার জ্বালা নিয়ে ঘুরে ধারে ধারে।
ধার্মিক হয়ে ধর্মের কালেমা বিতরন,
রাখছিস লম্বা লম্বা দাড়ি।
আবার মুখে পান করিস
মদ, গজা, তাড়ি।
লালন করে খুজিস তুই
মনের মানুষ
মা-বাবা কে ছাড়ি।
আসল ঠিকানা দূরে পেলে
ভাবের ঠিকানা দাও পাড়ি।
মন্ত্রী হয়ে মন্ত্রনালয়ের মধ্যে বসে ভাবছিস সারাক্ষণ
নিজের মন্ত্র নিয়ে।
কুমন্ত্রণার চিন্তার মাথা
সুচিন্তা আসবে কেমন করে।
হালা হারামজাদা তোরে মন্ত্রী দিলো কে?
ক্ষুধার জ্বালায় যদি আমি চোর হই
তবে অর্থের লোভে তুই ভিক্ষুক।
তোর আর আমার মাঝে মিল হলো
তুই আমার দিকে চেয়ে থাকিস-
আমি তোর দিকে।
তুই চুরি করিস দিনে
ভদ্র মানুষের সাজে।
আমি রাতের আঁধারে
শুধুমাত্র নিজের লজ্জাবোধের কারনে।
নেতা নেতা করিস তুই
তোর হয় মরন।
নেতার কি আর যায় আসে,
অন্য কায়দা করবে এবার ধারন।
আজ এর প্রানের ভাই,
কাল আবার ওর জান।
তোদের মত হালা হারামজাদার
জন্যই দেশ আজ কোরবান।
সভাপতি, তরুণ লেখক পরিষদ, ঢাকা পলিটেকনিক কলেজ,


