এই আকাশ খানি সেদিন ছিল ঘন কালো করালির থাবার-
“নিষ্ঠুরতম বিকট এক প্রত্যুষ”।
স্মরণের মর্ম বেদনায় ভূ-জাগতিক
শোক-হাহাকারের এক কঠিন প্রতিসূর।
ভোরের সু-মধুর আযানের বিপ্রতীপ বিক্ষেপে,
কিলিং মিশনের সেই পাপ ও পঙ্কিল পদক্ষেপে
ধানমন্ডি যখন থরথর!
কী ভেবে ছিলো গণমনোজয়ী স্পর্ধিত অকুতভয়
-এই গবেষক স্বজ্জন।।
কাপুরুষের অস্ত্রের বহর, নোংরা ধ্বনি, গুলি আর
অপ্রতিভ মৃত্যুর সেই আর্তনাদ পরোয়া করেনি
“সেদিনের সেই তাজা তজ্জর্নী”
বিষ্ময়কর ঘাতকের কালো সৃষ্টির নোংরামির স্মরনীয় ধূষর উপাখ্যানে শুনি
মা আমার বঙ্গজননী হয়েও লুটায়ে পড়েছে ধানমন্ডির সেই সৌধ র্শীষে!
চাপ চাপ সেই রক্ত ঝরা নির্ঝর,
সেই মায়াবি মুখ, সেই রক্তাক্ত শাড়ির আঁচল
দর্শনে সার্বজনীন বিশ্ব অভিজাত সেই আমার পতাকা সেও যেনো শোকার্ত হয়ে,
নেমে এসেছে মমতা ময়ি, মৃত্তিকাময়ী আমার জননীর বুকে।
রক্ত ধারার দুঃসহ দর্শনে-
গিরি নিঃসৃত নির্ঝর যেন থমকে থেমে ছিলো
এই কালো প্রত্যুষের রক্ত প্রবাহে।।
প্রচন্ড সেই ক্ষনকালের দারুন সূর্য প্রেরিত অনাথ শিশু রাসেল
দানবদলের সেই রক্তজবা দন্ত ওষ্ঠ দর্শনে
কেঁপে কেঁপে প্রাণ ভিক্ষার আবেদনে বলেছিলো-
“আমায় মেরো না”
“আমি বাবার কাছে যাব”।
আমায় হাসু আপুর কাছে নিয়ে চলো
না!!
নভোজগতের কণিষ্ঠ এই গ্রহ খানির
থেমে গেল তার কক্ষপথের পরিক্রমন
ঘাতক! কী অখন্ড এক ঘনীভূত শোর্কাত বিগ্রহ সৃষ্টি তোমার?
সেই উল্কা, সেই ধুমকেতু
সেই সৌর সৃষ্ট তেজদীপ্ত সৌরেন পরিক্রমন শেষে
মৃত্তিকার বুকে নেমে এলো অবশেষে।
সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ, মাগুরা জেলা কমিটি

