রায়হান সিদ্দিক ।। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া একের পর এক হত্যাকাণ্ড যার অনেকগুলোর দায় নিয়েছে আইএস প্রথমে ব্লগার হত্যা তারপর শিক্ষক হত্যা, নাট্যকর্মী হত্যা, বিদেশী হত্যা আর সব হত্যা ছাড়িয়ে গেলো হলি আর্টিজনে নিসাংসতার মধ্য দিয়ে। আর তখনই টনক নড়লো দেশ তথা দেশের অভিভাবকদের। টনক নড়লো আইন রক্ষা বাহিনীর, বেদনায় থমকে গেলো বাংলাদেশ তারপর আবার ঈদের নামাজের আগে বোমা হামলা এবার বিস্মিত হলো বাংলাদেশ। সারা বিশ্বের নজর পড়লো বাংলাদেশের উপর, শুরু হলো গবেষণা চায়ের কাপে ঝড়, একই সাথে শুরু হলো ধোয়াসা আর রাজনীতি নূন ছিটাছিটি। তারপর দেশ জুড়ে তল্লাশি আর সব কিছুর মাঝে বিপাকে পড়লো সাধারণ জনগণ, শুরু হলো জংগী দমন নামে ব্যাবসা, টাকার ব্যাবসা দোষ হলো ইসলামের আর লাভ হলো কিছু ব্যাবসায়ীদের কিন্তু খুব অল্পসংখ্যক মানুষ ভেবেছে তাদের কথা, যাদের আজ আমরা চিনেছি জংগী নামে, আচ্ছা একজন মানুষের পক্ষে কি সম্ভব একজন মানুষকে জবাই করে তার কাছে দীর্ঘ সময় বসে সাভাবিক থাকা। এ প্রসঙ্গের আগে ভেবে দেখি কিভাবে সম্ভব একটা বিত্তশালী পরিবারের ছেলেকে মটিভেশন করা .. কাউকে মটিভেশন করতে গেলে তার চাহিদা জানতে হয়, যদি একজন পুরুষের চাহিদার কথা বলা হয় তাহলে ১- আর্থিক চাহিদা ২-পারিবারিক চাহিদা ৩-সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবার চাহিদা ৪-নারীর চাহিদা। এই ৪টি চাহিদার ৩টি চাহিদা বিত্তশীল পরিবারের শিক্ষিত ছেলের থাকার কথা না (১,৩,৪), বাকি থাকলো ২-পারিবারিক চাহিদা কিন্তু এই চাহিদা কি একজন বাইরের মানুষের মেটানো সম্ভব? এই চাহিদা মেটাতে পারে পিতা অথবা পরিবার আর চাহিদা না মেটানো পর্যন্ত একটা শিক্ষীত ছেলে কেন অন্যের কথা শুনবে? আর কিভাবে একজন মানুষকে জবাই করে তার ভিতরে দীর্ঘ সময় পার করবে, এইটা কোন স্বাভাবিক মস্তিষ্কের মানুষ করতে পারে? এই কাজ সেই করতে পারে যাকে অন্য কেউ কন্ট্রোল করছে বা চালাচ্ছে। যে কেবল নামে মানুষ অথচ রোবট অর্থাৎ যখন কাউকে যাদু করা হয় অথবা হিপ্নোটাইস করা হয়। যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একমাত্র তারাই এধরনের হত্যাকান্ড চালাতে যারা জানেই না তারা কি করছে .. অতএব প্রয়োজন সঠিক তদন্ত এবং বিশ্লেষণ ..রায়নাহ সিদ্দিক ময়না, সাধারন সম্পাদক, যশোর জেলা কমিটি, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ


