পাহাড়তলি একটি মেয়ে-
হাসিখুশিতে মাততো সারাবেলা,
মমতাময়ী মায়ের মনে ভয়
করতো গ্রাস –
কখন জানি আমার সোনার
হবে সর্বনাশ।
গহীন রাতে বাবার সাথে
করতো হাঁসি খেলা,
বাবা-ই ছিলো দুঃখ ভুলার-
একমাএ ভেলা।
আমার মেয়ে জজ হবে-
বলতো, বাবা হেসে,
ওগো এক নামে ওকে
চিনবে সবাই-
দেখো একদিন তুমি,
থাকুক না এবার-
বাবা মেয়ের বড্ড ন্যাকামি।
রাত হয়েছে ঘুমাও এখন
বন্ধ করে আজুড়ে কথা-
সকাল হলে দেখা মিলবে
কঠিন বাস্তবতা।
অভাব আর অনটনের
মাঝে স্বপ্ন দেখাই বৃথা ।
কে জানতো !
মায়ের কথার কঠিন অর্থখানি
সন্ধ্যা বেলায় দেখা মিললো-
দুই হায়নার পাগলামী।
যাকে পাচ্ছে তাকে মারছে
বলছে পাড়ার সবে,
আমার সোনা বাইরে আছে
ঘরে ফিরবে কবে।
সবে মাএ বাইরে গেলো
আসবে জজ হয়ে,
বাবা বললো অট্রহাসি দিয়ে।
হেসো নাকো, হেসো নাকো-
কি ব্যাথায় বুক যে
আমার যায় জলে,
হায়নারা বুঝি আমার সোনারে
শেষ করবে পেলে।
আরে ধুর কি সব বলছো,
দেখো একদিন জজ হয়ে
ঠিক-ই ফিরে আসবে-
তোমার আমার কোলে।
তাই যেন হয়,
দোয়া মাঙ্গে মা
খোদর কাছে দুহাত তোলে।
বাইরে থেকে কে জানি-
করে উঠে চিৎকার !
কারে জানি হায়নারা হত্যা করেছে
দেখে যাও একবার।
আর বুঝি সইলো না
বুকের কষ্ট মার,
বাইরে বেরিয়ে দেখে বাবা
মাটিতে পড়ে আছে-
তার জজের দেহখানি।
চোখটা এখনো বুজেনি
মনে হলো কিছু বলবে আমায়,
সরতো সবাই-
আমি একটু শুনি
আমার জজের শেষ কথাখানি।
জজ আর কথা কয় না
শুধু তাকিয়ে রয়,
হায়নার বুঝি আজ জয় হলো
আমার জজের হয়েছে পরাজয়।
শুনো সবাই,
আজ হোক কাল-
দেখো একদিন এই বাংলার
জজেই করবে হায়নার পরাজয়,
সেইদিন হয়তো আর
বেশি দূরে নয়
জজের জয় হবে নিশ্চয়।
হাসিখুশিতে মাততো সারাবেলা,
মমতাময়ী মায়ের মনে ভয়
করতো গ্রাস –
কখন জানি আমার সোনার
হবে সর্বনাশ।
গহীন রাতে বাবার সাথে
করতো হাঁসি খেলা,
বাবা-ই ছিলো দুঃখ ভুলার-
একমাএ ভেলা।
আমার মেয়ে জজ হবে-
বলতো, বাবা হেসে,
ওগো এক নামে ওকে
চিনবে সবাই-
দেখো একদিন তুমি,
থাকুক না এবার-
বাবা মেয়ের বড্ড ন্যাকামি।
রাত হয়েছে ঘুমাও এখন
বন্ধ করে আজুড়ে কথা-
সকাল হলে দেখা মিলবে
কঠিন বাস্তবতা।
অভাব আর অনটনের
মাঝে স্বপ্ন দেখাই বৃথা ।
কে জানতো !
মায়ের কথার কঠিন অর্থখানি
সন্ধ্যা বেলায় দেখা মিললো-
দুই হায়নার পাগলামী।
যাকে পাচ্ছে তাকে মারছে
বলছে পাড়ার সবে,
আমার সোনা বাইরে আছে
ঘরে ফিরবে কবে।
সবে মাএ বাইরে গেলো
আসবে জজ হয়ে,
বাবা বললো অট্রহাসি দিয়ে।
হেসো নাকো, হেসো নাকো-
কি ব্যাথায় বুক যে
আমার যায় জলে,
হায়নারা বুঝি আমার সোনারে
শেষ করবে পেলে।
আরে ধুর কি সব বলছো,
দেখো একদিন জজ হয়ে
ঠিক-ই ফিরে আসবে-
তোমার আমার কোলে।
তাই যেন হয়,
দোয়া মাঙ্গে মা
খোদর কাছে দুহাত তোলে।
বাইরে থেকে কে জানি-
করে উঠে চিৎকার !
কারে জানি হায়নারা হত্যা করেছে
দেখে যাও একবার।
আর বুঝি সইলো না
বুকের কষ্ট মার,
বাইরে বেরিয়ে দেখে বাবা
মাটিতে পড়ে আছে-
তার জজের দেহখানি।
চোখটা এখনো বুজেনি
মনে হলো কিছু বলবে আমায়,
সরতো সবাই-
আমি একটু শুনি
আমার জজের শেষ কথাখানি।
জজ আর কথা কয় না
শুধু তাকিয়ে রয়,
হায়নার বুঝি আজ জয় হলো
আমার জজের হয়েছে পরাজয়।
শুনো সবাই,
আজ হোক কাল-
দেখো একদিন এই বাংলার
জজেই করবে হায়নার পরাজয়,
সেইদিন হয়তো আর
বেশি দূরে নয়
জজের জয় হবে নিশ্চয়।



