যত দিন যায়-
মনের গহীনে বাসাবাঁধা প্রাণের পাখিটা
নিরাশার বাঁকে চাই।
আমি যে পড়েছি হতভাগাদের দলে
অবুঝ মন লুটোপুটি খাই
মায়ের করিডোরে।
আমি যে কুলাঙ্গার- মা বলেছেন
হবে না আমার দ্বারা কিচ্ছু,
সঠিক মানুষের সঙ্গ থেকে
যদি পড়ি আমি পিছু।
মা আমার প্রাণের আকুতি
বারে বারে কি যে চাই?
স্বার্থের জন্যে তোমার টানে মাগো
বারে বারে ফিরে যায়।
মা আমি সত্যি হতভাগা-
তোমায় দিতে পারিনি কিছু,
সমাজের বুকে মাথা তুলাবে বলে
নিজের জন্য বাকী রাখনি হেতু।
তুমি যে আজ ভীষণ হতভাগা-
পড়ে রয়েছো বিছানার কোলে,
সত্যি বলছি মাগো আমি যে তোমার
সেই হতভাগ্য ছেলে।
জীবনভরে পথ চলেছি
মিলেনি সেই ব্যক্তির চিহ্ন,
যারে লইয়ে তুমি স্বপ্ন দেখেছো
করেছো আমার বৃত্ত।
সাহস আমি হারায়নি কভু
বুকে অসীম আশা,
আমি যে আজ পেয়েছি তাঁদের
নই যে সত্যি নিরাশা।
অবশেষে আমি-
পেয়েছি সেই ব্যক্তিদ্বয়ের সন্ধান,
সমাধান লইয়ে বসে আছে কত
কতশত মানুষের প্রধান।
ভুল যদি না করি মাগো-
আমার অলিক ভেঙ্গে,
বলতে আমি বাধ্যগত যে
হাজারো সাহেবের মধ্যে
এমন দুটি সাহেবের পরিচয় মেলে।
তাঁরা যে মহৎ অসীম সহায়
অস্বীকারের কিছু নাই,
আমি যে পেয়েছি তোমারই কারণে
যদি তাঁদের কাছে পাই একটু ঠাঁই।
মিথ্যা যাবে ধুয়ে মুছে সবে হতভাগ্যের বুলি
কে বলেছে আজ আমি হতভাগাদের কুলি?
রাসেল ও সানোয়ার ভাইয়ের সান্নিধ্যে আজ
আমি যে বড় ভাগ্যবান,
তাঁরা যে এক একজন মহৎ পুরুষ
তাঁরাই যে আমার সর্বগান।
সভাপতি, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ


